উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের লিগ পর্বের তৃতীয় ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদ আরবি লাইপজিগকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হন রিয়াল মাদ্রিদ কোচ হোসে মরিনিও। সেখানে তিনি ম্যাচের বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা বলেন।

প্রশ্ন: ভিনিসিয়ুসকে কিছুটা হতাশ দেখাচ্ছিল... এখন সে কেমন আছে? এই মুহূর্তে কি তার সমর্থকদের সমর্থন আগের চেয়ে বেশি প্রয়োজন?
মরিনিও: কেউ দুঃখিত কি না, সেটা একান্তই ব্যক্তিগত বিষয়। এ ব্যাপারে আপনার একটা ধারণা হতে পারে, কিন্তু সে কেমন বোধ করছে, তা সত্যিকার অর্থে বলতে পারবে শুধু সে নিজেই। তার পারফরম্যান্সে আমি খুশি। সবাই সব সময় তার কাছ থেকে আরও বেশি আশা করে—ব্যক্তিগত আক্রমণাত্মক খেলায় তাকে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণী ভূমিকা রাখতে দেখতে চায়। তবে সে এমন একটি ম্যাচ খেলেছে, যা আমাকে সন্তুষ্ট করেছে।
তিন আক্রমণভাগের খেলোয়াড়ের মধ্যে রক্ষণে সবচেয়ে বেশি দায়িত্ব ছিল তার ওপর। কারণ, প্রতিপক্ষের ডান-ফুলব্যাক প্রায়ই ভেতরে ঢুকে হাফ-স্পেসে চলে যাচ্ছিল, আর ভিনিসিয়ুস নিচে নেমে নিষ্ঠার সঙ্গে রক্ষণ সামলেছে। মাত্র একবার মাঝমাঠ দিয়ে একটি পাস আমাদের রক্ষণ ভেদ করতে পেরেছিল। আক্রমণে, পুরো মাঠজুড়ে বিস্ফোরক গতিতে দৌড় না দিলেও সে দলের ভারসাম্য বজায় রেখেছে, বল হারায়নি এবং দুর্দান্ত একটি আক্রমণ তৈরি করেছে—যা প্রায় গোল হয়ে যাচ্ছিল, কিন্তু গোলরক্ষকের অসাধারণ সেভে আটকে যায়।
তার পারফরম্যান্সে অসন্তুষ্ট হয়ে আমি তাকে তুলে নিইনি। বরং আমাদের শক্তিশালী বেঞ্চ আছে, যেখান থেকে ইয়ান দিয়োমান্দে বা এন্দ্রিকের মতো খেলোয়াড়দের নামিয়ে ম্যাচে ভিন্ন গতি আনা যায়। এটার সঙ্গে আপনাদের অভ্যস্ত হতে হবে, কারণ সামনে এমনটা প্রায়ই ঘটবে: খারাপ না খেলা একজনকে তুলে নিয়ে এমন কাউকে নামানো, যে ম্যাচে ভিন্ন ধরনের উদ্দীপনা যোগ করতে পারে।
আপনার প্রশ্নটা বুঝতে পেরেছি... হ্যাঁ, আমার মনে হয় সবার সমর্থন তার প্রয়োজন। প্রতিপক্ষের সমর্থকদের কাছ থেকে অ্যাওয়ে স্টেডিয়ামে দুয়ো শুনলে খেলোয়াড়েরা প্রায়ই সেটাকে বাড়তি প্রেরণায় পরিণত করে। কিন্তু নিজের মাঠে দুয়ো শুনলে... সেটা সত্যিই কষ্টদায়ক। তা সত্ত্বেও, তার পারফরম্যান্সে আমি খুবই সন্তুষ্ট।




